Gowin BD-র শুরুটা হয়েছিল একটা সহজ প্রশ্ন থেকে – বাংলাদেশের মানুষ কেন বিদেশি প্ল্যাটফর্মে ইংরেজিতে বেট করবে? কেন বাংলায়, বাংলাদেশিদের জন্য তৈরি একটা প্ল্যাটফর্ম থাকবে না? এই প্রশ্নটাই আমাদের প্রতিষ্ঠাতাদের একদিন একসাথে বসিয়ে দিয়েছিল।
২০১৯ সালে ছোট্ট একটা টিম নিয়ে Gowin BD-র যাত্রা শুরু। প্রথম দিকে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল কম, কিন্তু যারা ছিলেন তারা বারবার ফিরে আসতেন। কারণ একটাই – এই প্ল্যাটফর্মটা তাদের মতো করে তৈরি। বাংলায় সাপোর্ট, Mobile Pay-এ পেমেন্ট, পরিচিত খেলায় বেট – সব কিছুই যেন চেনা লাগত।
বিশ্বাস অর্জনের পথে
Gowin BD-তে বিশ্বাস রাতারাতি আসেনি। প্রতিটা পেআউট সময়মতো দেওয়া, প্রতিটা অভিযোগে সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দেওয়া, প্রতিটা বোনাসের শর্তাবলী স্পষ্ট করে লেখা – এই ছোট ছোট কাজগুলো মিলিয়েই আজকের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। ঢাকার রিকশাওয়ালা থেকে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী – সবার কাছে Gowin BD মানে একটাই কথা: এখানে টাকা নিরাপদ।
"আমরা কখনো মনে করিনি যে আমরা শুধু একটা ওয়েবসাইট চালাচ্ছি। আমরা লক্ষ লক্ষ মানুষের বিনোদনের একটা অংশ হয়ে যাচ্ছি – সেটা বুঝতে পারার পর থেকেই আমাদের দায়িত্ববোধটা আরও বেড়ে গেছে।" – Gowin BD প্রতিষ্ঠাতা টিম
প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ
Gowin BD-র পেছনে আছে একটা শক্তিশালী প্রযুক্তি দল যারা প্রতিনিয়ত প্ল্যাটফর্মটাকে আরও ভালো করে তুলছেন। রিয়েল-টাইম অডস আপডেট, লাইভ স্কোর ট্র্যাকিং, মোবাইল অ্যাপ অপটিমাইজেশন – সব কিছুতেই আমরা বিশ্বমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করি। আমাদের সার্ভার আপটাইম ৯৯.৯% – মানে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তেও প্ল্যাটফর্ম ডাউন হওয়ার ভয় নেই।
২০২২ সালে আমরা মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ করি যেটা এখন আমাদের মোট ট্রাফিকের ৭৩% বহন করে। বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে – আমরা সেই বাস্তবতা মাথায় রেখে অ্যাপটা তৈরি করেছি যাতে ধীর ইন্টারনেটেও মসৃণভাবে চলে।
দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের অগ্রাধিকার
Gowin BD শুধু মুনাফার কথা ভাবে না। আমরা জানি বেটিং একটা বিনোদন – এটা যেন কোনো ব্যবহারকারীর জীবনে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে সেটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। তাই আমরা ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং সচেতনতামূলক তথ্য সরাসরি প্ল্যাটফর্মে রেখেছি। আমাদের দায়িত্বশীল খেলা পেজে বিস্তারিত পাবেন।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং দ্রুত বড় হচ্ছে। এই বিকাশমান শিল্পে Gowin BD চায় নেতৃত্ব দিতে – কিন্তু সঠিক পথে। স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীলতা – এই তিনটা স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আমরা প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছি।